নিউজলেটার | ভলিউম-৭| আগস্ট-অক্টোবর ২০২০


পরিবর্তনের জন্য সংলাপ

প্লাটফর্মস ফর ডায়ালগের ত্রৈমাসিক সংলাপ

ডাউনলোড করুন!


পিফরডি প্রল্পপের ২১টি জেলায় যোগাযোগ টুলস সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

মা

আমাদের অংশীদার সিএসও'র ব্র্যান্ডিং এবং যোগাযোগের দক্ষতা বৃদ্ধি করার জন্য পিফরডি'র কমিউনিকেশনস টিম অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং মার্কেটিং টুলসের উপর একটি প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করেছে। পিফরডি'র আঞ্চলিক সমন্বয়কারীদের (আরসি) জন্য যোগাযোগ টুলসের উপর প্রথমে একটি প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ সরবরাহ করা হয় । তারপরে আরসি এবং ডিএফরা মিলে স্থানীয় সিএসও এবং ম্যাপ সদস্যদের একই প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। ৬৩টি অংশীদার সিএসও এবং তাদের ম্যাপ গ্রুপের প্রতিনিধিরা জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক সপ্তাহের দীর্ঘ অনলাইন প্রশিক্ষণে যোগ দেন। মোট ২০০ জন এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।


প্রশিক্ষণটিতে ফেসবুক, গুগল ড্রাইভ, ক্যানভা এবং উইক্সসহ যোগাযোগের প্ল্যাটফর্মগুলো

অন্তর্ভুক্ত ছিল যাতে সিএসও এবং ম্যাপ গ্রুপের সদস্যরা কার্যকরভাবে যোগাযোগ করতে এবং

মাঠ পর্যায়ে তাদের কাজের প্রচার করতে পারে। পঞ্চগড় এর সিএসও নেতা আখতারুন নাহার সাকি

বলেন,“কোভিড ১৯ মহামারী পরিস্থিতি চলাকালীন সময়ে মনকে সতেজ করা এবং সাঙ্গঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এই প্রশিক্ষণটি একটি উপযুক্ত উদ্যোগ। এই উদ্যোগটি আইটি সম্পর্কে আমাদের সমৃদ্ধ করে এবং অনলাইন প্রশিক্ষণ যুব সমাজের জন্য ক্যারিয়ার তৈরির সুযোগ তৈরি করেছে।" অপর এক অংশগ্রহণকারী, সিলেটের জেলা ফ্যাসিলেটেটর খোদেজা বেগম বলেছেন, “বর্তমানে এই অনলাইন প্রশিক্ষণটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিশ্বাস করি যে এই প্রশিক্ষণ ভবিষ্যতে আমাদের সহায়তা করবে এবং আশা করি এটি আমাদের আইটি দক্ষতা বৃদ্ধি অব্যাহত রাখবে " প্রশিক্ষণটি অল্প সময়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে তথ্য জানতে সাহায্য করেছে, সুবিধাভোগীরা তাদের নতুন দক্ষতার দুর্দান্ত ব্যবহার করছে। আঞ্চলিক সমন্বয়কারী, জেলা ফ্যাসিলিটেটর এবং কমিউনিকেশন টিম আমাদের অংশীদার সিএসওগুলিকে তাদের অনলাইন উপস্থিতি উন্নয়নের জন্য কাজ চালিয়ে যাবে।

২য় দফায় স্যোশাল মিডিয়ার প্রচারণা: ২১ প্রকল্প জেলায় সামাজিক জবাবদিহি টুলসের প্রচারহা


তথ্য অধিকার দিবসে, পিফরডি চারটি সামাজিক জবাবদিহি নীতির উপর দ্বিতীয় পর্যায়ের স্যোশাল মিডিয়ায় প্রচারণা শুরু করেছে যার বিষয়গুলো হলো : তথ্য অধিকার, সিটিজেনস চার্টার, অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা এবং জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল।


প্রথম প্রচারণাটি ছিলো, এপ্রিল থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত,যা অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছাতে সফল হয়েছিল, তবে আমাদের প্রত্যাশা মতো দর্শক ছিলো না।প্রাথমিক প্রচারের একটি বিশ্লেষণে দেখা গেছে যে আমাদের প্রচারণাটি সাধারণ মানুষের কাছে খুব একটা সহজবোধ্য ছিলো না। আর তাই দ্বিতীয় দফায় প্রচারের প্রস্তুতির জন্য, কমিউনিকেশন টিম আরও বিনোদনমূলক সামগ্রী বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা বিনোদনের মাধ্যমে তথ্য প্রদান করবে। এই‘এডুটেইনমেন্ট (বিনোদনমূলক শিক্ষা)’ পদ্ধতিটি এখন সাধারণ দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।


আমাদের ১ম ও ২য় পর্যায়ের প্রচারণার বিষয়গুলো একই রকম, এটি প্রতিটি সামাজিক জবাবদিহি টুলসগুলো কী, কীভাবে এবং কেন তা সম্পর্কিত তথ্যও প্রচার করবে। এই ধারণাগুলো আরও পরিষ্কারভাবে উপস্থাপনের জন্য, আমরা অ্যানিমেটেড চরিত্রকে সামনে এনেছি। এই চরিত্রগুলির প্রত্যেকটিই সামাজিক জবাবদিহি টুলসগুলোর বিশেষজ্ঞ এবং একজন বোকা দৈত্যও আছে। এই কার্টুন বা এনিম্যটেড চরিত্র গুলোর মাধ্যমে এখন দর্শকরা শিখবেন যে সামাজিক জবাবদিহি টুলস সাধারণ মানুষের জীবণে, কীভাবে কাজ করে এবং কেনো এগুলো গুরুত্বপূর্ণ।


অ্যানিমেটেড কার্টুন, গ্রাফিক্স এবং ভিডিওগুলোর পাশাপাশি ফটো গ্রাফিক্স, পিএসএ ভিডিও এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক কন্টেনটও দেখানো হবে। এই প্রচারের সময়, মূল লক্ষ্য হ'ল আরও বেশি সাধারণের সাথে জড়িত থাকা যাতে আমাদের প্রচার সামগ্রীগুলো পুরো প্রকল্প এলাকার দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে পারে। এখন পর্যন্ত, দ্বিতীয় প্রচারাভিযানের প্রাথমিক অংশটি আমাদের স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে গিয়েছে এবং সাধারণ দর্শকরাও এতে সাবলীলভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।


যুব দিবস উদযাপন: তরুণ ম্যাপ সদস্যদের চোখে বাংলাদেশের পরিবর্তনে করণীয়


১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবসের সম্মানে, পিফরডি ১০ মিনিটের একটি ভিডিও তৈরি করেছে যাতে আমাদের ২১ টি প্রকল্প জেলা থেকে যুবকেরা সামাজিক জবাবদিহি টুলস ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের নিজ এলাকায় কী প্রভাব ফেলছে সেগুলো নিয়ে কথা বলেন। ভিডিওটিতে আমাদের অংশীদার সিএসও এবং ম্যাপ গ্রুপের তরুণ বক্তারা তাদের সাফল্য এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনা ও তাদের নিজ এলাকাগুলোতে আরও উন্নত স্থান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কী কী কাজ করছেন সে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছেন।সরকারি সেবা ও সরকারি কর্মচারীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা, বাল্যবিবাহ বন্ধ, নারীর শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন, মাদকবিরোধী প্রচারণা, এবং নিজ এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের মতো জনপ্রিয় বিষয়গুলো ছিল তাদের কাজের প্রধান বিষয়। যুবকদের এ রকম অনুপ্রেরণামূলক গল্পগুলো পরিষ্কার করে যে তারা নিষ্ঠার সাথে নিজ এলাকার উন্নয়ন এবং তাদের ভবিষ্যত নাগরিকদের উন্নয়নের কাজ করতে বদ্ধ পরিকর।


তথ্য অধিকার দিবস উদযাপন: ১০ লক্ষ দর্শকের কাছে পৌঁছেছে অনলাইন প্রচার


মহামারীজনিত কারণে সামাজিক মেলামেশার ওপর বিধিনিষেধের জন্য , পিফরডি এই বছরের তথ্য অধিকার দিবসে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করার একটি সৃজনশীল উপায় বেছে নিয়েছিল। ২৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবসের এক সপ্তাহ আগে, পিফরডি প্রকল্প কর্মীদের একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও প্রকাশ করেছে যা আমাদের ফেইসবুক ব্যবহারকারীরা "তথ্য আমার অধিকার" প্রচারণায় যোগ দিতে উৎসাহিত করে।


ফেইসবুকের দর্শকদের কাছে বাংলায় বা ইংরেজিতে কাগজে লিখে তথ্যের অধিকার সম্পর্কে নিজেদের মন্তব্য প্রকাশে উৎসাহিত করা হয়েছিল যেমন: "তথ্য জানা আমার অধিকার" এবং "তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর মাধ্যমে আপনার জানার অধিকার নিশ্চিত করুন।" তারপরে, কাগজ হাতে রেখে, তাদের নিজের ছবি তুলতে এবং তাদের ফেসবুকের টাইমলাইনে #প্লাটফর্মসফরডায়ালগ এবং #তথ্যঅধিকার লিখে পোস্ট করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল।



প্রায় ২০০ জন ব্যক্তি তাদের অধিকারের তথ্য ব্যবহারের প্রচারে স্যোশাল মিডিয়া প্রোফাইলে ছবি পোস্ট করেছে। আমাদের ফেইসবুকে প্রচারমূলক সামগ্রী এবং প্ল্যাটফর্মে যারা তাদের নিজস্ব ছবি পোস্ট করেছেন, মোট দশ লক্ষ ব্যবহারকারী আমাদের ফেইসবুকে যোগ দিয়েছেন । পিফরডি ফেইসবুকে, দর্শকগণ একটি সংকলন এ্যলবামে সমস্ত অংশগ্রহণকারীদের ছবি দেখতে পাবেন। মোট ১৮ জন নাগরিক এবং ৮ জন জেলা তথ্য অফিসার এই প্রচারের জন্য তাদের ছবি জমা দিয়েছেন। ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশ কার্যালয় তাদের ভ্যারিফাইড পেইজ থেকে এই প্রচারণাটি চালিয়েছে।


পিফডির সামাজিক জবাবদিহি নীতি প্রচারের জন্য নতুন চরিত্র উপস্থাপন করা হচ্ছে


আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারগুলিতে সহায়তা করার জন্য, কমিউনিকেশন টিম পাঁচটি বিশেষ চরিত্র তৈরি করেছে। চারটি নীতি বিশেষজ্ঞের চরিত্রগুলি সমগ্র বাংলাদেশ জুড়ে বিভিন্ন বয়সের, ভৌগলিক এবং জীবনযাত্রার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য এবং বোকা দৈত্য চরিত্রটি প্রচারণায় হাস্যরসযুক্ত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।


তথ্য অধিকার আপা একজন প্রবীণ আদিবাসী মহিলা, তিনি তার প্রত্যন্ত সম্প্রদায়কে তথ্যের অধিকার সম্পর্কে জানতে এবং জনসাধারণের তথ্য অধিকার পেতে সহায়তা করার জন্য অত্যন্ত আগ্রহী। সিটিজেনস চার্টার চাচা হলো মধ্যবয়সী কৃষক যিনি তার গ্রামে

গ্রামে সিটিজেনস চার্টার ব্যবহার প্রচার করেন এবং তার প্রতিবেশী এবং পরিবারকে ঝামেলামুক্ত ভাবে সরকারি সেবা পাওয়ার ব্যাপারে সহায়তা করতে চান। জিআরএস আপা অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থার প্রচারকারী এক যুবতী। তিনি বিশ্বাস করেন যে সরকারি সেবা উন্নত করতে সরকারকে সহায়তা করার জন্য, সেবা সঠিকভাবে সরবরাহ না করা হলে নাগরিকদের এই জবাবদিহি টুলস ব্যবহার করা জরুরি। এনআইএস বালক এমন এক তরুণ চরিত্র যিনি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের বিষয়ে আশাবাদী এবং সরকারি ও বেসরকারি উভয় জীবনেই সততা দেখতে চান। লোকদের ক্রিয়াকলাপের জন্য দায়বদ্ধ রাখার জন্য তিনি এনআইএসকে তাঁর সমবয়সীদের মাঝে প্রচার করেন। শেষ অবধি, কার্টুনগুলিকে হালকা এবং মজাদার রাখতে একটি নির্বোধ দৈত্য চরিত্রটি তৈরি করা হয়েছিল। বোকা দৈত্য সর্বদা জনসাধারণের সেবা পেতে হয়রানীর শিকার হওয়া লোকদের সহায়তা করার চেষ্টা করে থাকে তবে বাস্তবে সে তার জাদুর কুপির মাধ্যমে গোলাপ বা সামান্য কিছুই করতে পারে। চারটি সামাজিক জবাবদিহি নীতি বিশেষজ্ঞ চরিত্রগুলো অন্যান্য মানুষের উপকারে এগিয়ে আসে, এবং সেগুলোর ব্যবহার শিখায় , বোকা দৈত্য সামাজিক নীতি ও এর ব্যবহার সম্পর্কে জানতে পারে এবং তাদের প্রচারে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেয়।


বর্তমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালানোর জন্য আমরা উপরের চরিত্রগুলো ব্যবহার করছি। পিফরডি এর লক্ষ্য হ'ল আমাদের প্রকল্প জেলা জুড়ে এই চিত্রগুলো প্রতিনিধিত্ব করবে। এই চরিত্রগুলোর মাধ্যমে সামাজিক জবাবদিহি নীতিরগুলো সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা।



এনআইএমসির অধীনে সাংবাদিকদের কৌশলগত যোগাযোগ প্রশিক্ষণ


জাতীয় গণসংযোগ ইনস্টিটিউট (এনআইএমসি) অতিরিক্ত সচিব ডা. গোলাম ফারুক, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব,ডা. শাহনাজ আরেফিন, এবং জনাব মোখলেছুর রহমান, উপ-সচিব, এর সহযোগিতায় সাংবাদিকদের তাদের কৌশলগত যোগাযোগ প্রশিক্ষণ পুনরায় শুরু করেছে । মহামারীর কারণে প্রতিষ্ঠানটি প্রশিক্ষণ বন্ধ রেখেছিল, তবে, নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে এবং সাংবাদিকদের অনলাইন সরঞ্জামগুলো পরিচয় করার বিশেষ প্রচেষ্টা নিয়ে, এনআইএমসি ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে তাদের কাজ চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।

সেপ্টেম্বরে এনআইএমসি মৌলভীবাজারে এবং মুন্সীগঞ্জে দু'দিনের প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, সেখানে ২৫ জন প্রশিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। অক্টোবরে পাবনা, নীলফামারী এবং নেত্রকোনায় আরও ৭৫ জন সাংবাদিককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। আজ অবধি,

এনআইএমসি পিফরডি-এর ২১ প্রকল্প জেলার মধ্যে ১৩টি প্রশিক্ষণ দিয়েছে। বাকি প্রশিক্ষণগুলি অনলাইনে চলতে থাকলেও এনআইএমসি আশা করে যে তারা দ্রুতই সরাসরি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করবে। প্রশিক্ষণগুলি সম্পূর্ণ হলে, ৫২৫ জন সাংবাদিক পাঁচটি সামাজিক জবাবদিহি নীতির (এনআইএস, আরটিআই, সিসি, জিআরএস, এবং এপিএ) পাশাপাশি অন্য নীতিমালা সম্পর্কে রিপোর্ট করার জন্য প্রশিক্ষণ পাবেন।


সাংবাদিকদের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ব্যক্তিরা তাদের অফিসে নীতিগুলোর যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে তাদের জেলায় তদন্তমূলক প্রতিবেদনে জড়িত থাকার জন্য উৎসাহিত করেছেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সাংবাদিকদের যথাযথ সুরক্ষামূলক আইন স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যাতে তারা দুর্নীতি সংক্রান্ত বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সমস্যার সম্মুখীন না হয়। যে সাংবাদিকরা ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণার্থীরা বলেছেনযে তারা নীতিগুলোর বিষয়ে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যাবেন এবং তারা ভবিষ্যতে ব্যক্তিগতভাবে রিফ্রেশার কোর্সে অংশ নিবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। আজ অবধি, প্রশিক্ষণগুলি ইতোমধ্যে সামাজিক জবাবদিহি নীতিগুলোর দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি করেছে, কারণ অংশ নেওয়া জেলার সাংবাদিকরা তাদের স্থানীয় সংবাদপত্রগুলিতে প্রশিক্ষণের বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য যে ,এপিএ-এর একটি প্রতিবেদন বাংলাদেশের বিখ্যাত দৈনিক পত্রিকা প্রথম আলোতে প্রকাশিত হয়েছে, সাতটি সিটি কর্পোরেশনেও এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।


"রিভ সিস্টেমস' জিআরএস সফটওয়্যার উন্নয়নে কাজ করছে


‘রিভ সিস্টেম’ নাগরিক এবং সরকারী কর্মচারিদের দ্বারা একইভাবে ব্যবহৃত অনলাইন অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা (জিআরএস) সফটওয়্যারটি বিকাশের জন্য পি ফর ডি এর সাথে কাজ করছে। দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক অভিযোগগুলো বোঝার জন্য এবং সমাধান করার জন্য সরকারি কর্মকর্তাদের সাহায্য করছে, ‘রিভ’ পিফরডি’র প্রকল্প জেলা গুলোতে প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করে আসছে। আগস্ট মাসে, রিভ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জিআরএস সফটওয়্যার সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করেছে।

এখন, সরকারের প্রতিটি স্তরের সকল সরকারি কর্মকর্তার নিজস্ব ব্যক্তিগত অনলাইন অ্যাকাউন্টে অ্যাক্সেস রয়েছে যেখানে তারা তাদের বিরুদ্ধে প্রথাগত অভিযোগগুলি দেখতে পাবে এবং সিস্টেমের মাধ্যমে তারা প্রতিটি সমস্যা সমাধানের জন্য নাগরিকদের সাথে কাজ করতে পারে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ তাদের তত্ত্বাবধানে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলি কীভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন সে সম্পর্কেও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, সুতরাং কোনও অভিযোগই সমাধান ছাড়া থাকবে না। ‘রিভ ‘ জি আর এস সিস্টেমটি আরও ভালভাবে ব্যবহার করতে সরকারি কর্মকর্তাদের সাহায্য প্রদান অব্যাহত রাখবে এবং এই বছরের শেষের দিকে, তারা পিফরডি কর্মকর্তাদের তাদের প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রশিক্ষণ ভিডিও তৈরি করতে সহায়তা করবে।



বিপিএটিসি: ২য় পর্যায়েরভ্যালিডেশন গবেষণা কর্মশালা


গত জুলাই মাসে একটি সফল প্রাথমিক ভ্যালিডেশন গবেষণা কর্মশালা শেষে, রেক্টর জনাব মো: রকিব হোসেনের পরিচালনায় বিপিএটিসি আগস্টের শুরুতে ২য় পর্যায়ের ভ্যালিডেশন গবেষণা কর্মশালা পরিচালনা করে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়, বিপিএটিসি এবং স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ২৭ জন এই অনলাইন কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন। মূল আলোচনার বিষয়টি ছিল সরকারি কর্মকর্তাদের সামাজিক জবাবদিহি সরঞ্জাম (এসএটিএস) বোঝার বিষয়ে বিপিএটিসি গবেষণা প্রতিবেদনের পর্যালোচনা এবং ভ্যালিডেশন। গবেষণায় দেখা গেছে যে অনেক সরকারি কর্মচারীদের সুশাসনের সাথে সম্পৃক্ত (টুলস) সরঞ্জামগুলো এবং ধারণাগুলি সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকলেও অধিকাংশের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) এবং সরকারি সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি (সিসি) সম্পর্কিত উন্নয়নের আরও জায়গা রয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্যাট সম্পর্কে আরও আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ, স্যাট সম্পর্কে জনসচেতনতা উন্নত করা, সরকারি কর্মচারীদের কর্মক্ষমতা বাড়ানো, এবং সরকারি কর্মচারী যারা সামাজিক জবাবদিহি নীতি সাথে নাগরিকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া সহ বিপিএটিসি ভবিষ্যতের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পরামর্শ দেয়।

জন প্রশাসন মন্ত্রনালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিসিএসএএর রেক্টর, মিজ বদরুন নেছা এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন এনডিসি এবং টিম লিডার জনাব আরসেন স্টেপানিয়ান সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।


এপিএম প্রশিক্ষণ: বিপিএটিসির বিভাগীয়কর্মকর্তাদের বার্ষিক পারফরম্যান্স ম্যানেজমেন্ট এর ওপর কাজ করেছে


আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, বিপিএটিসি বাংলাদেশ জুড়ে তিনটি অঞ্চলে বার্ষিক পারফরম্যান্স ম্যানেজমেন্ট কর্মশালা বাস্তবায়ন করে। প্রথম প্রশিক্ষণটি আগস্টের শেষে খুলনায় হয়েছিল, তারপরে সেপ্টেম্বর মাসে রাজশাহী এবং রংপুরে একটি প্রশিক্ষণ হয়েছিল।প্রতিটি প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা নিজ বাসস্থান থেকে যোগদান করেন ,ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে প্রায় ৫০ জন অংশগ্রহণকারী ছিল। কর্মশালাগুলো সাধারণ ভুল চিহ্নিতকরণ এবং হ্রাস করার উপর জোর দেয়, বাধ্যতামূলক সামাজিক জবাবদিহি সূচক, কীভাবে সঠিকভাবে বার্ষিক পারফরম্যান্স ম্যানেজমেন্ট (এপিএম) প্রস্তুত করা যায় এবং কর্মকর্তারা ত্রুটি ছাড়া এপিএম সম্পূর্ণ করতে পারে তা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহারিক অনুশীলন এর ব্যবস্থা ছিল। একটি প্রশিক্ষণ কোর্স বাকি রয়েছে, যা এই নভেম্বরে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। অংশগ্রহণকারীরা কর্মশালার মূল্যায়ন করেছিল কারণ এটি তাদের আগের কর্মশালার ক্রুটি এবং তাদের বিভাগগুলির জন্য আসন্ন এপিএম সম্পূর্ণ করার ব্যাপারে আরও দক্ষ হতে সাহায্য করবে।


এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুস, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিসিএসএ এর রেক্টর মিসেস বদরুন নেছা। ডঃ শাহনাজ আরেফিন এনডিসি, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পিফরডি-র টিম লিডার জনাব আরসেন স্টেপানিয়ান। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করার জন্য বিপিএটিসির রেক্টর জনাব মোঃ রাকিব হোসাইন এনডিসিকে বিশেষ ধন্যবাদ।


This publication was produced with the financial support of the European Union. Its contents are the sole responsibility of Platforms for Dialogue and do not necessarily reflect the views of the European Union.

3 views0 comments

Join our Newsletter

Sign up to receive quarterly updates from P4D. We'll update you on the latest trainings, CSO activities, and special events.

Get in Touch

Visit Us

Platforms for Dialogue, British Council

House 13/B, Road 75, Gulshan 02, Dhaka 1212

Bangladesh

Email Us

Follow Us on Social Media

Funded by the

European Union

This website was created and maintained with the financial support of the European Union. Its contents are the sole responsibility of the British Council and do not necessarily reflect the views of the European Union.

© 2021 by Platforms for Dialogue, British Council